সৌদি আরবে ৮ হাজার সেনা ও যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে পাকিস্তান

ফাইল ছবি
১৯ মে ২০২৬, ১১:৩০
নিউজ ডেস্ক
সৌদি আরবে প্রায় ৮ হাজার সেনা, যুদ্ধবিমান স্কোয়াড্রন এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে পাকিস্তান। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় এই সামরিক মোতায়েন করা হয়েছে বলে দাবি করেছে বিভিন্ন সূত্র।
রয়টার্স জানায়, তিনজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা ও দুই সরকারি সূত্র সামরিক মোতায়েনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ সক্ষম বাহিনী, যা সৌদি আরবের ওপর আরও কোনো হামলা হলে দেশটির সেনাবাহিনীকে সহায়তা করবে।
তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি পাকিস্তান আর্মড ফোর্স, দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর কিংবা সৌদি আরব।
প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় ১৬টি যুদ্ধবিমান নিয়ে একটি স্কোয়াড্রন সৌদি আরবে পাঠিয়েছে পাকিস্তান। এর বেশিরভাগই চীনের সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান। পাশাপাশি দুটি ড্রোন স্কোয়াড্রনও মোতায়েন করা হয়েছে।
সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, মোতায়েন করা বাহিনীতে প্রায় ৮ হাজার সেনা সদস্য রয়েছে। প্রয়োজন হলে আরও সেনা পাঠানোর প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে ইসলামাবাদ। একই সঙ্গে চীনা তৈরি এইচকিউ-৯ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও সেখানে স্থাপন করা হয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এসব সামরিক সরঞ্জাম পাকিস্তানি সেনা সদস্যরাই পরিচালনা করছেন এবং এর অর্থায়ন করছে সৌদি আরব।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছর স্বাক্ষরিত একটি গোপন প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় হামলার মুখে পড়লে পাকিস্তান ও সৌদি আরব একে অপরের প্রতিরক্ষায় এগিয়ে আসবে।
এর আগে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, এই চুক্তির ফলে সৌদি আরব পাকিস্তানের ‘পারমাণবিক ছাতার’ আওতায় রয়েছে।
রয়টার্স জানিয়েছে, ইরান সংঘাতের সময় সৌদি আরবে পাঠানো পাকিস্তানি সেনা ও বিমানবাহিনীর সদস্যরা মূলত প্রশিক্ষণ ও পরামর্শমূলক দায়িত্ব পালন করবে। তবে এর আগেও হাজার হাজার পাকিস্তানি সেনা সৌদি আরবে যুদ্ধ সক্ষম ভূমিকায় মোতায়েন ছিল।
একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় থাকার পাশাপাশি রিয়াদের সঙ্গে সামরিক সম্পর্ক আরও জোরদার করছে ইসলামাবাদ।









