আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের হামলায় ইরানের নেতৃত্ব কাঠামো কার্যত দুইবার ‘নিষ্ক্রিয়’ বা ‘ধ্বংস’ হয়ে গেছে।
ওহাইও অঙ্গরাজ্যের সিনসিনাটিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ট্রাম্প বলেন, ইরানে পরিচালিত সামরিক অভিযানের প্রথম ও দ্বিতীয় ধাক্কায় দেশটির নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা নিহত অথবা অক্ষম হয়ে পড়েছেন। এর ফলে ইরানের কমান্ড কাঠামো বড় ধরনের আঘাত পেয়েছে।
তার ভাষায়, “আমাদের তালিকায় যারা ছিল, তাদের বেশিরভাগই এখন আর নেই।”
এর আগে এক বক্তব্যে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, মার্কিন ও মিত্র বাহিনীর হামলায় ইরানের নৌবাহিনী, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং রাডারসহ সামরিক অবকাঠামোর বড় অংশ ধ্বংস হয়ে গেছে। বিশেষ করে ২৮টি মাইন স্থাপনকারী জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ট্রাম্পের এই বক্তব্য এমন সময় এসেছে, যখন ইরানের নবনির্বাচিত সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি আহত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ে।
তবে এ তথ্য অস্বীকার করেছেন মাসুদ পেজেশকিয়ানের ছেলে ইউসুফ পেজেশকিয়ান। টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট মহলে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে মোজতবা খামেনি নিরাপদ আছেন।
তবে গত রোববার সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষিত হওয়ার পর থেকে এখনো তাকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি এবং তিনি কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতিও দেননি।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি, তার স্ত্রী এবং পরিবারের কয়েকজন সদস্য নিহত হন বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে।
মোজতবা খামেনি সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হওয়ায় ট্রাম্প নিজের ‘হতাশা’ প্রকাশ করেছেন।
এদিকে আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়লেও ট্রাম্প আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি হবে এবং অচিরেই তেলের দাম কমে আসবে। যদিও এর আগে ইরানের পক্ষ থেকে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়ে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলারে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে।










