শত্রুর ‘পরিপূর্ণ পরাজয়’ না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা ইরানের

সংগৃহীত ছবি
১২ মার্চ ২০২৬, ০৪:০৫
নিউজ ডেস্ক
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। এর মধ্যেই প্রতিবেশী দেশগুলোর দিকে ধারাবাহিকভাবে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান।
বুধবার সকালে সৌদি আরব ও কুয়েত জানিয়েছে, তাদের লক্ষ্য করে ইরান থেকে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এছাড়া কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান এবং বাহরাইনও একই ধরনের হামলার শিকার হয়েছে বলে জানা গেছে।
শুধু তাই নয়, এ অঞ্চলে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি, বেসামরিক স্থাপনা এবং জ্বালানি অবকাঠামোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে।
প্রেক্ষাপট হিসেবে জানা যায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানের ওপর হামলা শুরু করলে, এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরান প্রতিবেশী দেশগুলোর দিকে আঘাত হানতে শুরু করে। পরবর্তীতে কিছু দেশের কাছে ওই হামলার জন্য দুঃখপ্রকাশও করেছিল তেহরান।
তবে সাম্প্রতিক হামলাগুলো কেন অব্যাহত রয়েছে—সে বিষয়ে বিশ্লেষণ দিয়েছেন বারবারা প্লেট-আশার। তার মতে, ইরান মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে যে ভাবমূর্তি গড়ে উঠেছে, সেটিকে দুর্বল করতে চাইছে।
তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের তেল ও গ্যাস খাত বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই খাতে বিঘ্ন সৃষ্টি করা গেলে বিশ্ববাজারে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে, যা ইরানের কৌশলগত চাপ তৈরির অংশ হতে পারে।
একই সঙ্গে, এসব হামলার মাধ্যমে ইরান তার আরব প্রতিবেশীদের ওপর চাপ বাড়াতে চাইছে বলেও মনে করা হচ্ছে, যাতে তারা যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আরও বেশি চাপ প্রয়োগ করে।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি শুধু আঞ্চলিক নয়, বরং বৈশ্বিক অর্থনীতি ও নিরাপত্তার জন্যও বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে।
সূত্র: বিবিসি









