বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩

অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত থাকলে ইরান শেষ পর্যন্ত চুক্তি করতে বাধ্য হবে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। একই সঙ্গে ইরান যাতে আবারও পারমাণবিক স্থাপনা গড়ে তুলতে না পারে, সেটিই ওয়াশিংটনের প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন তিনি।

সামা টিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ভ্যান্স বলেন, ইরানকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে—তারা অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে থাকতে চায়, নাকি পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করতে চায়।

তিনি আরও বলেন, গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহণ পথ হরমুজ প্রণালিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার সময় ইরানের শেষ হয়েছে।

ভ্যান্সের ভাষ্য, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি সরবরাহের পথ নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন রাখা জরুরি। একই সঙ্গে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের ওপর ইরানের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণও আর নেই বলে দাবি করেন তিনি।

ইরানের ওপর আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারি

এদিকে ইরানের ওপর ‘ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞা’ আরোপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট।

তার দাবি, সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করা হলে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর প্রয়োজন কমে আসবে।

সংবাদমাধ্যমকে বেসেন্ট বলেন, সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করা হলে সম্ভবত নতুন করে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করার প্রয়োজন হবে না। তিনি ‘কাইনেটিক’ শব্দটি ব্যবহার করে সামরিক শক্তি প্রয়োগের বিষয়টি বোঝান।

আগামী সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন নিষেধাজ্ঞা প্যাকেজের বিস্তারিত তুলে ধরবেন বলেও জানিয়েছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী।

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা এবং তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ—এই তিন ইস্যুকে ঘিরেই ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।