রামিসার বাসায় প্রধানমন্ত্রী

ফাইল ছবি
২১ মে ২০২৬, ১১:০৮
নিউজ ডেস্ক
রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার সাত বছর বয়সী স্কুলছাত্রী রামিসা আক্তারের বাসায় গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) মন্ত্রিপরিষদ সভা শেষে রাত ৯টা ৫০ মিনিটে মিরপুর-১১ নম্বর সেকশনে রামিসার বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করতে তাদের বাসায় পৌঁছান তিনি।
এদিকে রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় আগামী সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
গত মঙ্গলবার (১৯ মে) ফ্ল্যাটে ডেকে নিয়ে রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে সোহেল রানা নামের এক যুবক। এ ঘটনায় রামিসার বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে একই ভবনের ভাড়াটিয়া সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার কৌশলে শিশুটিকে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যায়। পরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মেয়েকে স্কুলে পাঠানোর জন্য খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে অভিযুক্তদের কক্ষের সামনে রামিসার উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাডাকি করা হয়। কোনো সাড়া না পেয়ে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন।
পরে শয়নকক্ষের মেঝেতে শিশুটির মস্তকবিহীন লাশ এবং বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করা হয়।
এজাহারে আরও বলা হয়, শিশুটিকে কক্ষে নেওয়ার সময় সোহেলের সঙ্গে অজ্ঞাতপরিচয় আরও এক ব্যক্তি ছিল।
ঘটনার পরই প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তিনি আদালতে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। বুধবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।
জবানবন্দিতে সোহেল রানা জানান, শিশুটিকে দেখে তার মধ্যে বিকৃত যৌন লালসা জেগে ওঠে। ইয়াবাসক্ত অবস্থায় সে রামিসাকে ঘরের বাথরুমে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।
তিনি আরও জানান, রামিসা বিষয়টি বাবা-মাকে জানিয়ে দেওয়ার কথা বললে আতঙ্কিত হয়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।
পরে লাশ গোপন করতে সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তার সহযোগিতা করেন বলেও জবানবন্দিতে উল্লেখ করা হয়।
জবানবন্দি অনুযায়ী, হত্যার পর শিশুটির মাথা ধারালো অস্ত্র দিয়ে দেহ থেকে আলাদা করা হয়। এছাড়া মরদেহ বিকৃত করারও অভিযোগ উঠে এসেছে।









