শিরোনাম:
স্থানীয় নির্বাচনের ভোটকেন্দ্র চূড়ান্ত ২৭ আগস্ট

ফাইল ছবি
১৬ জুলাই ২০২৬, ১২:১৮
নিউজ ডেস্ক
আজকের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় খবর
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশজুড়ে ভোটকেন্দ্র নির্ধারণের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আগামী ২৭ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করা হবে।
আজ বুধবার (১৫ জুলাই) নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. রশিদ মিয়া স্বাক্ষরিত মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো এক জরুরি চিঠিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ভোটকেন্দ্র নির্ধারণের আইনি বাধ্যবাধকতা ও নীতিমালা
ইসি সূত্র জানিয়েছে, দেশের সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রণীত ‘স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা নীতিমালা, ২০২৫’ অনুসারে ভোট গ্রহণের অন্তত ২৫ দিন আগে ভোটকেন্দ্রের তালিকা চূড়ান্ত করে গেজেট আকারে প্রকাশ করার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেই আলোকেই এই সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।
ভোটকেন্দ্র চূড়ান্তকরণের রোডম্যাপ ও গুরুত্বপূর্ণ তারিখ
নির্বাচন কমিশনের চিঠি অনুযায়ী, খসড়া তালিকা প্রকাশ থেকে শুরু করে চূড়ান্ত গেজেট পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট একটি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে:
১০ আগস্ট: ভোটকেন্দ্রের খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হবে।
১৮ আগস্ট: প্রকাশিত খসড়া তালিকার ওপর যেকোনো ধরনের দাবি, আপত্তি বা সংশোধনের আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময়।
২৩ আগস্ট: প্রাপ্ত দাবি ও আপত্তিগুলোর মাঠপর্যায়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই-বাছাই ও আইনি নিষ্পত্তি সম্পন্ন করার শেষ দিন।
২৭ আগস্ট: সব প্রক্রিয়া ও আইনি জটিলতা সম্পন্ন করে সম্ভাব্য ভোটকেন্দ্রের চূড়ান্ত তালিকা গেজেট আকারে প্রকাশ।
অস্থায়ী ভোটকক্ষ এড়িয়ে চলার কঠোর নির্দেশনা
পাঠানো চিঠিতে সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের ভোটকেন্দ্র স্থাপনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান অবকাঠামো ও সরকারি স্থায়ী সুযোগ-সুবিধার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নীতিমালায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, সরকারি বা আধা-সরকারি স্থায়ী ভবনের ভেতরে ভোটকক্ষ স্থাপনের পর্যাপ্ত সুযোগ থাকলে, অযথা খরচ ও জটিলতা বাড়াতে কোনোভাবেই অস্থায়ী ভোটকক্ষ নির্মাণের প্রস্তাব বা সুপারিশ করা যাবে না।
এছাড়া, চূড়ান্ত অনুমোদিত ভোটকেন্দ্রের তালিকা সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার মাধ্যমে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের 'নির্বাচন সহায়তা-৩' শাখায় পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যেকোনো নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফশিল ঘোষণার পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে এই তালিকার হার্ড কপি এবং সফট কপি বাধ্যতামূলকভাবে কমিশনে জমা দিতে হবে বলে চিঠিতে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।









