শিরোনাম:
ঢাবিতে জলাধার পরিষ্কার ও পদ্ম ফুলের চারাসহ ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ

ফাইল ছবি
৩০ জুলাই ২০২৬, ১২:০৬
নিউজ ডেস্ক
আজকের গুরুত্বপূর্ণ বিনোদন খবর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পরিচ্ছন্নতা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের বার্তা ছড়িয়ে দিতে জলাধার পরিষ্কার এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মিনহাজ আহমেদ প্রিন্স।
আজ বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ চত্বরসংলগ্ন লেকে এই ব্যতিক্রমী কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় তিনি নিজ হাতে লেকের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করেন। পাশাপাশি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ২০ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে কাঁঠাল, লেবু, নিম, পেয়ারাসহ বিভিন্ন ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করেন। একই সঙ্গে লেকের দীর্ঘমেয়াদি সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে কমল (পদ্ম) ফুলের চারা রোপণ করা হয়।
বিবেক জাগ্রত ও অর্নামেন্টাল উদ্ভিদের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা
পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ সংরক্ষণ নিয়ে কর্মসূচিতে মিনহাজ আহমেদ প্রিন্স বলেন:
“পরিচ্ছন্নতা, শৃঙ্খলা ও পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা তৈরিতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত ২০ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অনুপ্রেরণা থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জলাধার পরিষ্কার ও এই বৃক্ষরোপণ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”
জলাধার দূষণমুক্ত রাখার দীর্ঘমেয়াদি রূপরেখা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, “জলাধার পরিষ্কার করার পরও অনেক সময় সেখানে আবার সচেতনতার অভাবে ময়লা জমে। তাই এমন পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ নিতে হবে, যাতে মানুষ নিজের বিবেক থেকেই জলাধারে ময়লা ফেলতে সংকোচ বোধ করে। এ লক্ষ্যে লেকে কমল ও অন্যান্য সুন্দর জলজ উদ্ভিদ লাগানো যেতে পারে, যা একদিকে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবে, অন্যদিকে বাস্তুতন্ত্র রক্ষাতেও ভূমিকা রাখবে।”
আন্তর্জাতিক উদাহরণ টেনে ছাত্রদলের এই নেতা বলেন, “লন্ডনের বিভিন্ন পার্কগুলোতে এ ধরনের সুন্দর জলজ পরিবেশ গড়ে তোলার উদ্যোগ দেখা যায়। এছাড়া চীন প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ অর্নামেন্টাল (সৌন্দর্যবর্ধক) উদ্ভিদ রপ্তানি করে বড় অর্থনৈতিক সুবিধা অর্জন করছে। এই পরিকল্পনা সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে পারলে বাংলাদেশও ভবিষ্যতে এ ধরনের অর্নামেন্টাল উদ্ভিদ রপ্তানি প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবে।”
কর্মসূচিতে উপস্থিত নেতৃত্ববৃন্দ
সবুজায়ন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানে কেন্দ্রীয় ও বিভিন্ন হল ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন:
কেন্দ্রীয় ও ঢাবি হল নেতৃবৃন্দ: ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতা হাসান কবির, কবি জসীম উদদীন হল ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. আব্দুল ওহেদ, যুগ্ম-আহ্বায়ক রায়হান আহমেদ, বিজয় একাত্তর হল ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক রিমন হোসেন মন্ডল, যুগ্ম-আহ্বায়ক খ. শাহরিয়ার ইসলাম, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক রাকিবুল হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক আজিজুল হাকিম, শাকিল হাসান, সাকিব হুসেইন, ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ্ হল ছাত্রদলের সদস্য তারেকুজ্জামান রাফাত, জগন্নাথ হল ছাত্রদল নেতা উল্লাস উলা শুয়ে মারমা ইমন, এবং স্যার এ এফ রহমান হল ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার আহমেদ শাকিল।
অন্যান্য ইউনিটের নেতৃবৃন্দ: তেজগাঁও কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডি কে আজাদ, মহানগর উত্তর ছাত্রদলের গণস্বাস্থ্য বিষয়ক সহ-সম্পাদক জুবায়ের হোসেন, সদস্য কেএস জুনায়েদ, মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত, সদস্য তানিন মিয়া এবং বাঙলা কলেজ ছাত্রদল নেতা মিয়ারাজসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী।









