শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩২

মুম্বাই:
নিরাপদ, উন্মুক্ত ও স্থিতিশীল ইন্টারনেট নিশ্চিত করার লক্ষ্যে শুরু হয়েছে আইক্যান৮৫ সম্মেলন। এতে অংশ নিয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নীতিনির্ধারক, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, শিল্পখাতের প্রতিনিধি এবং সুশীল সমাজের সদস্যরা। সম্মেলন আয়োজন করেছে ইন্টারনেট কর্পোরেশন ফর এসাইনড নেইম এন্ড নাম্বার (আইক্যান) এবং ন্যাশনাল ইন্টারনেট এক্সচেঞ্জ অফ ইন্ডিয়া (নিক্সি)

ভারতের ইলেকট্রনিক্স ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ৭ থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত মুম্বাইয়ের জিও ওয়ার্ল্ড কনভেনশন সেন্টার-এ এই ফোরাম অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সোমবার তৃতীয়দিন উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব এস কৃষনান, মহারাষ্ট্র সরকারের প্রতিনিধি রাজেশ আগারওয়াল, নিক্সির সিইও দিভেশ ত্যাগী, আইক্যানের বোর্ড চেয়ারম্যান তৃপ্তি সিনহা, প্রেসিডেন্ট ও সিইও কুর্তিস লিন্ডকভিস্ত এবং স্টেকহোল্ডার এনগেজমেন্টের ভাইস প্রেসিডেন্ট সামিরন গুপ্তা


সম্মেলনের মূল বিষয়বস্তু

  • ডোমেইন নেম সিস্টেম (DNS)-এর উন্নয়ন

  • সাইবার নিরাপত্তা

  • ইন্টারনেট গভর্ন্যান্স

  • জেনেরিক টপ-লেভেল ডোমেইন (gTLD)-এর সম্প্রসারণ

আইক্যান বোর্ড চেয়ারম্যান তৃপ্তি সিনহা বলেন, “ইন্টারনেটের স্থিতিশীলতা ও অখণ্ডতা এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কাজের ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং একটি নিরাপদ ইন্টারনেট গড়ে তোলা আমাদের মূল লক্ষ্য।”

আইক্যান প্রেসিডেন্ট কুর্তিস লিন্ডকভিস্ত বলেন, “সপ্তাহব্যাপী বৈঠক থেকে কমিউনিটির অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত কাজগুলোতে বাস্তব অগ্রগতি অর্জনই প্রধান লক্ষ্য। নতুন অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা ও নতুন চিন্তার সমন্বয় ঘটালে আইক্যান কমিউনিটি আরও কার্যকরভাবে কাজ করতে পারবে।”


বিশেষ সম্মাননা

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ২০২৬ সালের আইক্যান কমিউনিটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ঘোষণা করা হয়। এ বছর পুরস্কার পান কমিউনিটির দীর্ঘদিনের সদস্য অমৃতা চোধুরী, যিনি ইন্টারনেট গভর্ন্যান্সে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য সম্মানিত হন। আইক্যান প্রেসিডেন্ট কুর্তিস লিন্ডকভিস্ত আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে পুরস্কার প্রদান করেন।


সপ্তাহজুড়ে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন সেশনে মাল্টিস্টেকহোল্ডার মডেল-এর গুরুত্ব তুলে ধরা হচ্ছে। এই মডেলের আওতায় আইক্যান কমিউনিটি যৌথভাবে নীতিমালা প্রণয়ন, সমাধান বাস্তবায়ন এবং একটি নিরাপদ, স্থিতিশীল ও বৈশ্বিকভাবে সমন্বিত ইন্টারনেট পরিচালনায় কাজ করছে।