বিএনপির সঙ্গে সমঝোতা স্মারকের প্রস্তাব তুরস্কের একে পার্টির

ফাইল ছবি
১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৩
নিউজ ডেস্ক
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে কটূক্তির জন্য মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন মাদারীপুর-১ আসনের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সংসদ সদস্য সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালা।
একই সঙ্গে যারা মহানবী (সা.)-কে শেষ নবী হিসেবে মানে না, তাদের ‘অমুসলিম’ ঘোষণা করতে জাতীয় সংসদে আইন প্রণয়নের আহ্বান জানান তিনি।
বুধবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব দাবি জানান।
এমপি হানজালা বলেন, “মাননীয় স্পিকার, আমরা যে জায়গায় দাঁড়িয়ে আছি, আমাদের দিকে বাংলার ত্রিশ লাখ ওলামায়ে কেরাম তাকিয়ে আছেন। তাদের কণ্ঠস্বর যেন আমরা এই জাতীয় সংসদ থেকে তুলে ধরতে পারি।”
তিনি বলেন, “ওলামায়ে কেরামের অন্যতম প্রধান দাবি—হযরত মুহাম্মদ (সা.)-ই শেষ নবী, তার পরে আর কোনো নবী নেই। কিন্তু দুঃখজনকভাবে দেশে এমন একটি গোষ্ঠী রয়েছে, যারা নবীকে অস্বীকার করেও নিজেদের মুসলমান দাবি করে।”
তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে তাদের ‘অমুসলিম’ ঘোষণার দাবিতে বিভিন্ন সময় আন্দোলন হয়েছে এবং অনেকেই এ কারণে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তবে এখনো সেই দাবির বাস্তবায়ন হয়নি বলে উল্লেখ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে হানজালা বলেন, “আপনার মাধ্যমে যদি এই বিষয়টি আইনের মাধ্যমে স্বীকৃতি পায়—যারা নবীকে অস্বীকার করে তারা মুসলমান থাকতে পারে না—তাহলে সেটি একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হবে।”
এছাড়াও নবী (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, “যারা নবীকে নিয়ে কটূক্তি করে, তাদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের আইন জাতীয় সংসদ থেকে পাস করা হোক।”
বক্তৃতায় ‘হাদি হত্যার’ বিচার দাবি করে এমপি হানজালা বলেন, “ন্যায়ের পক্ষে কথা বলা একটি তরুণের স্বপ্ন থামিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই হত্যার বিচার না হলে আন্দোলনকারীদের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কা তৈরি হবে।”
পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি এ ঘটনার বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
নিজ নির্বাচনী এলাকায় মাদকের বিস্তার নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন হানজালা। তিনি অভিযোগ করেন, মাদকবিরোধী অবস্থান নিতে গিয়ে প্রশাসনের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে না।
তার ভাষায়, “ইয়াবা ও গাঁজাসহ মাদক উদ্ধার করে প্রশাসনের কাছে দিলে তারা কোর্টে চালান করে। কিন্তু কয়েকদিনের মধ্যেই জামিন নিয়ে আবার সেই ব্যক্তিরা এলাকায় ফিরে এসে মাদক ব্যবসা শুরু করে।”
আইনমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ইয়াবা ও গাঁজার মতো মাদকের বিরুদ্ধে বিদ্যমান আইন আরও কঠোর করা প্রয়োজন।









